preloader
বাংলা বইয়ের e-ভুবন
Menu Categories Search Cart 0
Menu
Cart

Total 0 Items

☹ Your cart is empty

Sub Total:

$0

₹0

বিভাগ
মাটির মানুষের মেটাফিজিক্স: পর্ব ৬
ধারাবাহিক

মাটির মানুষের মেটাফিজিক্স: পর্ব ৬

বীজ—ছোটো, নীরব, প্রায় অদৃশ্য। অথচ তার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে ভবিষ্যতের সমগ্র প্রতিশ্রুতি। এই লেখায় কৃষকের সময়বোধ, সংযম, আশা ও উত্তরাধিকারের দার্শনিক তাৎপর্য উঠে আসে। ‘ধানের আধ্যাত্মিকতা’র পূর্বসূত্র হিসেবে বীজ এখানে সম্ভাবনা, অনিশ্চয়তা ও সভ্যতার গভীর নৈতিকতার এক অনন্য প্রতীক হয়ে ওঠে। প্রকাশিত হল অয়ন মুখোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক কলাম “মাটির মানুষের মেটাফিজিক্স”-এর ষষ্ঠ পর্ব।

বীজের ভেতর ভবিষ্যৎ

গত পর্বে ধান নিয়ে লিখতে গিয়ে মনে হয়েছে, ধান বললে আমাদের সামনে কোন দৃশ্য ভেসে ওঠে? হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। ধান বললে আমাদের চোখের সামনে একটা ধানের শিষ ভেসে ওঠে। অথবা গোলাভরা উঠোন। নবান্ন, আলপনা, ভাতের গন্ধ, লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ—এসবও। কিন্তু বীজ চোখে পড়ে না। সে ছোটো। শুকনো। নীরব। প্রায় অদৃশ্য। অথচ এই অদৃশ্য জিনিসটার ভিতরেই লুকিয়ে থাকে গোটা ভবিষ্যৎ। ফসল চোখে পড়ে, কিন্তু ভবিষ্যৎ কখনও চোখে পড়ে না; সে সবসময় বীজের মতোই ছোটো, নীরব, অদৃশ্য। সেই কারণেই “মাটির মানুষের মেটাফিজিক্স” সিরিজে “বীজের ভেতর ভবিষ্যৎ” বিষয়টি আমাকে ভাবিয়েছে। কারণ এই সিরিজ শুধু দৃশ্যমান জীবনকে নিয়ে নয়; দৃশ্যমানের ভিতরে যে অদৃশ্য বিশ্বাস কাজ করে, তাকে চিনে নেওয়ারও চেষ্টা।

“মাটির মানুষের মেটাফিজিক্স” আসলে শুরু থেকেই একটি বড়ো প্রশ্নের দিকে এগোচ্ছে—গ্রামের মানুষ কি শুধু বাঁচার জন্য কাজ করে, না কি কাজ করতে করতেই নিজের পৃথিবীর অর্থও তৈরি করে নেয়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে শুধু ফলন বা ফলাফলের দিকে তাকালে হবে না। অন্নের দিকেও আমাদের তাকাতে হবে। কিন্তু অন্নেরও আগে যে নীরব প্রস্তুতি, যে সঞ্চয়, যে আশঙ্কা, যে অপেক্ষা, তার দিকেও আমাদের অভিমুখ যেন থাকে। সেই জায়গায় এসে বীজ এক অনিবার্য ভবিষ্যতের ঠিকানা। কারণ ফসল বর্তমানের ভাষা, আর বীজ ভবিষ্যতের ভাষা। ধান আমাদের ভাত দেয়, কিন্তু বীজ আমাদের কাল দেয়।

‘ধানের আধ্যাত্মিকতা’ পর্বে শস্যকে কেন্দ্র করে যে লোকবিশ্বাস, দেবী, আচার, আচরণ, নবান্ন, গানের জগৎ তৈরি হয়, সেই পর্ব মূলত ফলনের পরের সাংস্কৃতিক বিস্তার। সেখানে মানুষ কীভাবে অন্নকে দেবত্ব দেয়, কীভাবে খাদ্যকে সম্পর্কের মধ্যে টেনে আনে, কীভাবে ধানকে কেবল শস্য না ভেবে গৃহস্থের নৈতিকতার অংশ হয়ে উঠতে দেয়—সেই কথাই এখানে মুখ্য। কিন্তু ধান তো হঠাৎ এসে পড়ে না। তারও আগে থাকে বীজ। অর্থাৎ ‘ধানের আধ্যাত্মিকতা’ যদি অন্নের সাংস্কৃতিক পূর্ণতা হয়, তবে ‘বীজের ভেতর ভবিষ্যৎ’ হল তার ontological শুরু। একটিতে আছে প্রাপ্তি, অন্যটিতে আছে সম্ভাবনা। একটিতে আছে ভোগ, অন্যটিতে আছে সংযম। একটিতে আছে উৎসব, অন্যটিতে আছে অপেক্ষা।

কেতাব-ই’র ব্লগজিন বিভাগে লেখা পাঠাতে চান? মেল করুন blogzine.ketabe@gmail.com-এ। মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখুন ‘কেতাব-ই ব্লগজিনের জন্য লেখা’

এইখানেই বিষয়টির দার্শনিক গুরুত্ব। একটি বীজ বাইরে থেকে অনেকটা জড়বস্তুর মতো লাগে, দেখে মনে হয় মৃত। তার মধ্যে কোনো দৃশ্যমান গতি নেই। সে চুপ করে থাকে। কিন্তু ঠিক সময়ে জল, আলো, মাটি পেলে সে ফেটে পড়ে। এই ফেটে যাওয়ার মধ্যেই মানুষের সবচেয়ে প্রাচীন আশা লুকিয়ে আছে। বীজ তাই নিছক কৃষিজ উপাদান নয়; বরং তা অদৃশ্যের ভিতরে দৃশ্যমানের সম্ভাবনা। মেটাফিজিক্স যদি এমন এক চর্চা হয়, যা জিনিসের বাইরের রূপের ভিতরে তার গভীরতর অর্থ খুঁজতে চায়, তাহলে বীজ তার একেবারে উপযুক্ত বিষয়। কারণ বীজের ভিতরেই ভবিষ্যতের অদৃশ্য অবস্থা থাকে। বীজ হল পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো প্রতিশ্রুতি, আর সবচেয়ে বড়ো ঝুঁকিও।

আরও স্পষ্ট করে বললে, বীজকে নিয়ে লেখা মানে কৃষকের সময়বোধকে নিয়ে লেখা। একজন কৃষক যখন ভালো ধানের অংশ আলাদা করে রাখেন, তখন তিনি শুধু কৃষিকৌশল মানছেন না; তিনি সময়ের সঙ্গে এক নৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। তিনি সবটুকু খেয়ে ফেলছেন না। সবটুকু বিক্রি করে দিচ্ছেন না। তিনি কিছু অংশ তুলে রাখছেন আগামী দিনের জন্য। এই ‘তুলে রাখা’র ভিতরেই মাটির মানুষের গভীর প্রজ্ঞা লুকিয়ে আছে। অভাবের মধ্যেও যে সমাজ বীজ আলাদা করে রাখে, সে সমাজ শুধু বর্তমানের কথা ভাবে না। সে ভবিষ্যৎকে বিশ্বাস করে। তাই বীজের প্রশ্ন আসলে দূরদৃষ্টির প্রশ্ন, সংযমের প্রশ্ন, সভ্যতার প্রশ্ন। আজকের আন্তর্জাতিক কৃষি আলোচনাতেও seed security-কে খাদ্যনিরাপত্তার ভিত্তি বলা হয়; অর্থাৎ কৃষকের হাতে সময়মতো উপযুক্ত ও ভালো মানের বীজ পৌঁছনো শুধু কৃষির প্রশ্ন নয়, বেঁচে থাকার প্রশ্নও।

এই কারণেই ‘বীজের ভেতর ভবিষ্যৎ’ বিষয়টি এই সিরিজে যুক্ত হওয়া খুব স্বাভাবিক। ‘মাটির মানুষের মেটাফিজিক্স’ যদি সত্যিই মাটির মানুষের চিন্তাভাবনা, বিশ্বাস, শ্রম, স্মৃতি আর নৈতিকতার গভীরে যেতে চায়, তাহলে তাকে একসময় অবশ্যই বীজের কাছে ফিরে যেতে হবে। কারণ বীজই সেই বিন্দু, যেখানে কৃষি এখানে শুধুই ফলন নয়, এখানে একটা প্রবল সম্ভাবনা। যেখানে জীবন আসলে কোনো ফসল নয়, কেবল প্রতিশ্রুতি আর সম্ভাবনা। যেখানে মানুষ এখনও কিছুই পায়নি, কিন্তু পাওয়ার আশায় মাটির দিকে হাত বাড়িয়েছে। এই হাত বাড়ানোর মধ্যেই এক ধরনের আদি দর্শন কাজ করে।

এই দর্শনকে শহুরে ভাষায় ব্যাখ্যা করা কঠিন। কারণ শহর শুধুমাত্র ফলাফল বোঝে, প্রক্রিয়া নয়। শহর চায় বাজারে চাল, প্লেটে ভাত, দোকানে প্যাকেটবন্দি বীজ। কিন্তু গ্রামের মানুষ জানে, বীজ মানে কেবল বস্তু নয়। তা মাটিতে পড়ে, জল চায়, ঋতু চায়, শরীরের পরিশ্রম চায়, আর সবশেষে ভাগ্যও চায়। অর্থাৎ বীজ এখানে একসঙ্গে বিজ্ঞান, অভিজ্ঞতা, প্রকৃতি এবং তার অনিশ্চয়তার মিলিত ক্ষেত্র। কৃষক যখন বীজ বোনেন, তখন তিনি নিশ্চিত নন। বৃষ্টি হবে কি না, তা তিনি জানেন না। রোগ লাগবে কি না, তা তিনি জানেন না। দাম পাবেন কি না, তাও তিনি নিশ্চিত নন। তবু তিনি বোনেন। আশা কখনও স্লোগান নয়; অনেক সময় তা একমুঠো বীজের মতো চুপচাপ মাটির নিচে কাজ করে।

আর-একটি বিষয় এখানে আছে। বীজ মানে উত্তরাধিকার। বহুদিন ধরে বীজ শুধু বাজার থেকে কেনা জিনিস ছিল না। তা ছিল হাতে-হাতে যাওয়া সম্পদ। এক প্রজন্ম আর-এক প্রজন্মকে জমির সঙ্গে সঙ্গে বীজও দিয়ে যেত। এক বাড়ির ভালো ধান আর-এক বাড়িতে যেত। অভাবের সময় ধার দেওয়া হত। খরার পরে বীজ জোগাড় করা মানে ছিল এক সামাজিক পুনর্গঠন। ফলে বীজ কেবল জৈব উপাদান নয়; তা সামাজিক স্মৃতিরও বাহক। একটি বীজের ভিতরে লুকিয়ে থাকে সেই অঞ্চলের মাটির অভিজ্ঞতা, একটি ঋতুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস, একটি পরিবারের জ্ঞান, আর একটি গ্রামসমাজের পারস্পরিক নির্ভরতা। এই দিক দিয়ে বীজকে কেন্দ্র করেই লেখা হয় সেই এলাকার, সেইসব মানুষের উত্তরাধিকারের গল্প।

এই উত্তরাধিকার শুধু কৃষিবিদ্যার মধ্যেই নিয়ন্ত্রিত থাকে না; তা ছড়িয়ে পড়ে সংস্কৃতির অন্দরমহলে। যে বীজ হারিয়ে যায়, তার সঙ্গে হারিয়ে যায় এক ধরনের রান্না, এক ধরনের গন্ধ, এক ধরনের উৎসব, কখনো-কখনো এক ধরনের ভাষাও। নির্দিষ্ট ধানের জাত নির্দিষ্ট খাদ্যসংস্কৃতির প্রতীক। নির্দিষ্ট বীজ নির্দিষ্ট চাষের ছন্দ তৈরি করে। নির্দিষ্ট ফসল নির্দিষ্ট লোকগান, প্রবাদ, আচার, এমনকি সামাজিক সম্পর্কের ভঙ্গিও গড়ে তোলে। তাই বীজ হারানো মানে শুধু জীববৈচিত্র্যকে হারানো নয়; তার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকেও হারানো। এই কারণেই ফসলের বৈচিত্র্যকে আজ আন্তর্জাতিক স্তরে খাদ্যব্যবস্থার ‘life insurance’ বলা হয়—কারণ বৈচিত্র্যই অনিশ্চয়তার সময়ে কৃষিকে টিকিয়ে রাখে।

আমরা যখন বলি ‘বীজের ভেতর ভবিষ্যৎ’ আছে, তখন তা ‘ধানের আধ্যাত্মিকতা’-র একটি পরবর্তী যৌক্তিক ধাপ হয়ে ওঠে। কারণ ধান আমাদের দেখায়, শস্য কীভাবে দেবতা, গান, উৎসব আর স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। আর বীজ আমাদের দেখায়, সেই শস্যের আগেই মানুষ ভবিষ্যৎকে কীভাবে কল্পনা করে। ধান দৃশ্যমান সমৃদ্ধি। বীজ সেখানে অদৃশ্য ভরসা। ধান খাওয়া যায়। বীজকে খেয়ে ফেললে আগামীকাল নষ্ট হয়। এখানেই তার নৈতিক তীব্রতা। এখানেই এই বিষয়টির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা। দক্ষিণ এশিয়ায় ধানচাষের সূত্র যে অত্যন্ত প্রাচীন, সে-বিষয়ে আজ যথেষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ আছে; বিশেষত মধ্য গঙ্গা উপত্যকায় প্রাচীন ধানচর্চার স্পষ্ট চিহ্ন মিলেছে, যদিও ঠিক কখন তা পূর্ণ গৃহপালিত শস্যে পরিণত হল, সে-বিষয়ে এখনও বিতর্ক রয়ে গেছে। 

এই সিরিজে বীজকে সামনে আনার পিছনে আমার একটি বড়ো ভাবনা কাজ করছে। তা হল—গ্রামের মানুষকে কেবল অর্থনৈতিক সত্তা হিসেবে না দেখে চিন্তাশীল সত্তা হিসেবে দেখা। আমরা প্রায়ই ভাবি, দার্শনিকতা কোথায় থাকে? বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে থাকে? না কি বইয়ের ভিতরে থাকে? আসল উত্তর হল—না, দার্শনিকতা থাকে আমাদের মন ও মননের ভিতর। তাই আমরা দেখি, গ্রামের একজন মানুষ যখন বীজ তুলে রাখেন, তখন তিনি অজান্তে অগোচরে একটি দার্শনিক কাজই করছেন। তিনি বলছেন—আজ সব শেষ হয়ে যায়নি। আগামী মরশুম এখনও সম্ভব। পৃথিবীর সঙ্গে তার সম্পর্কের সম্ভাবনা এখনও ভেঙে যায়নি। সুতরাং এই নীরব বিশ্বাসের কোনো বড়ো ভাষণ নেই, কিন্তু তার ভিতরেই সভ্যতার সবচেয়ে জরুরি বাক্যটি লুকিয়ে আছে।

এই ভাবনাকে আরও গভীর করে আর-একটি তথ্য আমাদের সামনে দাঁড় করায়। ভারতে জাতীয় জিনব্যাঙ্কে আজ ৪.৬৮ লক্ষেরও বেশি accession সংরক্ষিত আছে, আর সরকারি তথ্য বলছে জাতীয় জিনব্যাঙ্কে প্রায় ১.০৯ লক্ষ rice germplasm-ও সংরক্ষিত রয়েছে। অর্থাৎ বীজ শুধু মানুষের ঘরের মাটির হাঁড়িতেই নয়, দেশের ভবিষ্যৎ-স্মৃতিতেও রক্ষিত হচ্ছে। তবে পার্থক্য এইখানে—জিনব্যাঙ্ক বীজকে সম্ভাবনা হিসেবে বাঁচিয়ে রাখে, আর কৃষকের হাত তাকে জীবন্ত অভ্যাস হিসেবে টিকিয়ে রাখে।

সুতরাং ‘বীজের ভেতর ভবিষ্যৎ’ আসলে কোনো বিষয়বদল নয়, বরং সিরিজের ভিতকে আরও একটু গভীরে নিয়ে যাওয়া। এটি আসলে ‘ধানের আধ্যাত্মিকতা’-র বিরোধী নয়; বরং তারই পূর্বকথা । এটি ‘অন্ন’র বিরুদ্ধে নয়; এটা তারই উৎসের ভেতর। এটি ‘ফলন’-এর বদলে ‘সম্ভাবনা’-কে, ‘উৎসব’-এর বদলে ‘অপেক্ষা’-কে, ‘ভোগ’-এর বদলে ‘সংযম’-কে সামনে আনে।

এক লাইনে বললে, ‘ধানের আধ্যাত্মিকতা’ দেখায় মানুষ শস্যকে কীভাবে অর্থ দেয়। আর ‘বীজের ভেতর ভবিষ্যৎ’ দেখায় মানুষ অনিশ্চয়তার ভিতরে ও কিভাবে আগামীকালকে সে বাঁচিয়ে রেখেছে। প্রথমটি অন্নের সাংস্কৃতিক পরিণতি। দ্বিতীয়টি আশার নৈতিকতার সূত্রপাত।

সুতরাং মানুষের জীবন শুধু মাটির উপরে দাঁড়িয়ে নেই; তা সময়ের দিকেও এক পা বাড়িয়ে আছে। আর সেই সময়ের প্রথম নীরব মানচিত্রটি লেখা হয় একমুঠো বীজের ওপর দাঁড়িয়েই।


কেতাব-ই’র মুদ্রিত বই,ই-বই এবং ব্লগজিন বিভাগের লেখালিখির নিয়মিত খোঁজখবর পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন


এই ব্লগজিনে প্রকাশিত সমস্ত লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব।

লেখক

অয়ন মুখোপাধ্যায় একজন কবি, গল্পকার এবং প্রাবন্ধিক। পেশাগতভাবে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত।

অন্যান্য লেখা