preloader
বাংলা বইয়ের e-ভুবন
Menu Categories Search Cart 0
Menu
Cart

Total 0 Items

☹ Your cart is empty

Sub Total:

$0

₹0

বিভাগ
আমার জেলা বীরভূম
প্রবন্ধ

আমার জেলা বীরভূম

লালমাটির পথ, বাউলের একতারা, শান্তিনিকেতনের স্বপ্ন আর তারাপীঠের আধ্যাত্মিকতা—সব মিলিয়ে বীরভূম শুধু একটি জেলা নয়, এক গভীর আবেগ। ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির অনন্য মিলনে গড়ে ওঠা বাংলার প্রাণভূমির গল্প তুলে ধরে এই প্রবন্ধ। ‘জেলার সাহিত্য’ প্রকল্পে এই মাসের নির্বাচিত জেলাগুলি হল বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া। আজ প্রকাশিত হল বীরভূমের গদ্যকার সৌম্য পালের প্রবন্ধ।

আমার জেলার নাম বীরভূম। নামটি উচ্চারণ করলেই যেন কানে ভেসে আসে একতারার সুর, চোখের সামনে ফুটে ওঠে লালমাটির পথ, শাল-পিয়ালের বন, খোয়াইয়ের ঢেউখেলানো প্রান্তর, আর দূরে কোথাও ধোঁয়া-ওঠা গ্রামের ছবি। বীরভূম শুধু একটি জেলা নয়—এ এক অনুভূতি, এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, এক গৌরবময় পরিচয়। আমি যখন বলি “আমার জেলা বীরভূম”, তখন সে-কথার মধ্যে মিশে থাকে আত্মীয়তার টান, ইতিহাসের গর্ব, প্রকৃতির মুগ্ধতা এবং সংস্কৃতির গভীর আবেগ।

বাংলার মানচিত্রে বীরভূম পশ্চিমবঙ্গের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে অজয়, ময়ূরাক্ষী, কুঁয়ো, বক্রেশ্বরের মতো নদী; তার বুকে বিস্তৃত হয়েছে লালমাটির ঢিবি, খোয়াই, সবুজ মাঠ আর বনাঞ্চল। কিন্তু ভূগোলের গণ্ডি পেরিয়ে বীরভূমের প্রকৃত পরিচয় তার আত্মায়—এই জেলা বাংলা সংস্কৃতির এমন এক প্রাণকেন্দ্র, যেখানে সাহিত্য, সংগীত, ধর্ম, দর্শন, লোকসংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একসূত্রে গাঁথা।

বীরভূমের প্রকৃতির প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য তার লালমাটি। পশ্চিমবঙ্গের বহু জেলায় সবুজ শস্যখেতের আধিক্য থাকলেও বীরভূমের লালমাটির অনন্যতা তাকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে। বর্ষার বৃষ্টিতে ভেজা লালমাটি, শীতের সকালের ধুলোমাখা পথ, গ্রীষ্মের খরতাপে উড়তে থাকা লাল ধুলো—সব মিলিয়ে বীরভূমের প্রকৃতি যেন অন্য এক রূপকথা। এই লালমাটির বুকে দাঁড়িয়ে মানুষ কেবল পথ চলে না; ইতিহাস তৈরি করে, গান গায়, কবিতা লেখে, জীবনকে নতুন অর্থ দেয়।

কেতাব-ই’র ব্লগজিন বিভাগে লেখা পাঠাতে চান? মেল করুন blogzine.ketabe@gmail.com-এ। মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখুন ‘কেতাব-ই ব্লগজিনের জন্য লেখা’

আমার জেলার গর্বের সর্বপ্রথম নাম শান্তিনিকেতন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বীরভূমের বুকে গড়ে তুলেছিলেন বিশ্বভারতী—এক অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার মূল দর্শন ছিল প্রকৃতির মাঝে মুক্ত শিক্ষার পরিবেশ। শান্তিনিকেতনের কথা উঠলেই মনে পড়ে গাছতলায় ক্লাস, খোলা মাঠে প্রার্থনা, কাচঘেরা উপাসনাগৃহ, বসন্তোৎসবের রং, পৌষমেলার আনন্দ। শান্তিনিকেতন শুধু শিক্ষার কেন্দ্র নয়; এটি এক জীবনদর্শনের প্রতীক, যেখানে জ্ঞান ও মানবতার মিলন ঘটে। বিশ্বভারতী আজও বিশ্বের নানা প্রান্তের ছাত্র-ছাত্রীকে আকর্ষণ করে, আর সেই কারণে বীরভূম আন্তর্জাতিক পরিচিতিও লাভ করেছে।

বীরভূমের আরেকটি প্রাণ হল তার বাউল সংস্কৃতি। বাংলার লোকসংস্কৃতির সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী ও আধ্যাত্মিক ধারা হল বাউল গান, আর সেই বাউলদের অন্যতম প্রধান আশ্রয়স্থল এই বীরভূম। পথে-ঘাটে, মেলায়-উৎসবে, গ্রামের মাঠে—একতারার টুংটাং সুরে আজও শোনা যায় বাউলের গান। তারা শুধু গায়ক নন; তারা জীবনদর্শনের বাহক। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি—এই বাণী শুধু গানের কথা নয়, মানবতাবাদের এক গভীর আহ্বান। বীরভূমের মাটি, মানুষ ও আকাশের সঙ্গে বাউলসংগীত এতটাই মিশে গেছে যে একটিকে অন্যটির থেকে আলাদা করা যায় না।

আমার জেলার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বও অপরিসীম। তারাপীঠ এই জেলার এক বিখ্যাত তীর্থস্থান। মা তারার মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই স্থান সারা ভারতবর্ষের ভক্তদের আকর্ষণ করে। এখানে ভক্তি ও তন্ত্রসাধনার এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায়। তারাপীঠের শ্মশান, সাধু-সন্ন্যাসীর তন্ত্রসাধনা, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি—সব মিলিয়ে এক রহস্যময়, অলৌকিক পরিবেশ সৃষ্টি করে। সাধক বামাখ্যাপার কর্মস্থলও ছিল এখানে। শুধু ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বেও তারাপীঠ বীরভূমের এক অমূল্য সম্পদ। 

বীরভূমের আরেক ঐতিহ্যবাহী স্থান কেঁদুলি। এটি কবি জয়দেবের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে কেঁদুলি মেলা বসে, যা বাংলার অন্যতম বৃহৎ বাউলমেলা। হাজার হাজার বাউল, ফকির, সাধু ও দর্শনার্থীর সমাগমে এই মেলা যেন লোকসংস্কৃতির এক মহোৎসব হয়ে ওঠে। অজয় নদীর পাড়ে বসা এই মেলা শুধু ব্যাবসা-বাণিজ্যের স্থান নয়; এটি এক সাংস্কৃতিক সাধনার ক্ষেত্র।

আমার জেলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের লাভপুরের সন্তান। তাঁর সাহিত্যকর্মে বীরভূমের গ্রামীণ জীবন, কৃষক, আদিবাসী, জমিদার, সামাজিক দ্বন্দ্ব ও মানুষের মনস্তত্ত্ব এত জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে যে তাঁর লেখা পড়লেই বীরভূমকে অনুভব করা যায়। তাঁর উপন্যাসে এই জেলার মানুষের হাসি-কান্না, প্রেম-বিরহ, সংগ্রাম-সাফল্য অমর হয়ে আছে।

আমার জেলার গৌরবকে আরও উজ্জ্বল করেছে ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি-র জন্ম। বীরভূম জেলার মিরাটি গ্রামে তাঁর জন্ম হয়েছিল। সাধারণ গ্রামীণ পরিবেশ থেকে উঠে এসে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ অলংকৃত করা তাঁর জীবনকাহিনি বীরভূমবাসীর কাছে বিশেষ গর্বের বিষয়। তাঁর কর্মনিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা শুধু ভারতবর্ষকেই সমৃদ্ধ করেনি, বীরভূমের নামও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত করেছে। তাই বলা যায়, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সাধনার পাশাপাশি রাষ্ট্রনায়ক তৈরির ক্ষেত্র হিসেবেও বীরভূম সমান গৌরবের অধিকারী।

বীরভূমের আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য তার আদিবাসী সংস্কৃতি। বিশেষত সাঁওতাল সম্প্রদায় এই জেলার জনজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের নিজস্ব ভাষা, পোশাক, নাচ, গান, উৎসব এবং জীবনযাত্রা বীরভূমের সংস্কৃতিকে করেছে আরও বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ। সাঁওতাল নৃত্যের মাদলের তালে, উৎসবের আনন্দে, গ্রামীণ সরলতায় বীরভূমের প্রাণ স্পন্দিত হয়।

প্রকৃতির বিচিত্র সৌন্দর্যের দিক থেকেও বীরভূম অনন্য। খোয়াই অঞ্চল তার অন্যতম আকর্ষণ। বৃষ্টির জল ও মাটিক্ষয়ের ফলে তৈরি এই খাদের মতো ভূপ্রকৃতি সূর্যাস্তের আলোয় অপার্থিব রূপ ধারণ করে। খোয়াইয়ের লাল ঢেউখেলানো প্রান্তর, পাশে শালবন, দূরে গ্রাম—এই দৃশ্য যেন কোনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবি। বহু পর্যটক শুধুমাত্র এই খোয়াইয়ের রূপ দেখতে বীরভূমে আসেন।

বক্রেশ্বর বীরভূমের আরেকটি বিখ্যাত স্থান। এখানে রয়েছে উষ্ণ প্রস্রবণ, যা প্রকৃতির এক বিস্ময়। বহু মানুষ ধর্মীয় বিশ্বাস ও স্বাস্থ্যগত কারণে এখানে আসেন। বক্রেশ্বর মন্দির ও উষ্ণ প্রস্রবণ মিলিয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র।

আমার জেলা বীরভূম ধর্মীয় ও পৌরাণিক ঐতিহ্যের দিক থেকেও বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। পুরাণ অনুসারে দেবী সতীর দেহের বিভিন্ন অঙ্গ যেখানে যেখানে পতিত হয়েছিল, সেখানেই গড়ে ওঠে সতীপীঠ। সমগ্র ভারতের মধ্যে বিরলভাবে বীরভূম জেলাতেই অবস্থিত চারটি প্রসিদ্ধ সতীপীঠ, যা এই জেলার আধ্যাত্মিক মর্যাদাকে বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে। এই চারটি সতীপীঠ হল—নলহাটির নলহাটেশ্বরী। পীঠনির্ণয় তন্ত্র মতে, চতুশ্চত্বারিশৎ পীঠ হল বীরভূমের নলহাটি। এখানে সতীর কণ্ঠনালী এসে পড়েছিল। এখানে দেবীর নাম শেফালিকা ও ভৈরব যোগীশ। স্বপ্নাদেশে কামদেব উদ্ধার করেন সতীর কণ্ঠনালী। ব্রাহ্মণী নদীর তীরে ললাট পাহাড়ের নিচে সেই কণ্ঠনালীর উপরেই বেদিতে প্রতিষ্ঠিত হন দেবী নলহাটেশ্বরী। ফুল্লরা—শান্তিনিকেতন থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এই সতীপীঠ। লোকবিশ্বাস অনুসারে, ফুল্লরায় পড়েছিল সতীর নিচের ঠোঁটটি। এই মন্দিরে কোনো বিগ্রহ নেই। মন্দিরের পাশে একটি বিরাট পুকুর আছে। কথিত, রামের দুর্গাপুজোর সময়ে হনুমান নাকি এই পুকুর থেকেই ১০৮টি পদ্ম সংগ্রহ করেছিলেন। কঙ্কালীতলা—বোলপুর স্টেশন থেকে ১০ কিমি উত্তর-পূর্বে কোপাই নদীর তীরে এই সতীপীঠের অবস্থান। স্থানীয় মানুষের কাছে দেবী কঙ্কালেশ্বরী নামে পরিচিত। জনশ্রুতি বলে, এখানে দেবীর শ্রোণি পতিত হয়। দেবীর নাম এখানে দেবগর্ভা। পাশেই একটা কুণ্ড আছে, যার জল নাকি কখনও শুকোয় না। নন্দীকেশ্বর—সাঁইথিয়া শহরে দেবী নন্দিনী অধিষ্ঠিতা। বিশ্বাস করা হয়, সতীর কণ্ঠহার পড়েছিল এখানে। শিব এখানে পূজিত হন নন্দীকিশোর রূপে।

আমার জেলার মানুষের কথা না বললে বীরভূমের পরিচয় অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এখানকার মানুষ সহজ-সরল, আন্তরিক, অতিথিপরায়ণ এবং সংস্কৃতিপ্রেমী। তাদের জীবনে আর্থিক সচ্ছলতা কম থাকতে পারে, কিন্তু হৃদয়ের দারিদ্র্য নেই। অতিথিকে আপ্যায়ন করা, উৎসবে-অনুষ্ঠানে সবাইকে নিয়ে আনন্দ করা, গান-বাজনা-আড্ডায় মেতে থাকা—এসব বীরভূমের মানুষের স্বভাব।

কৃষিই বীরভূমের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। ধান, গম, আলু, তিল, ডাল, বিভিন্ন শাকসবজি এখানে উৎপন্ন হয়। গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প, তাঁতশিল্প ও মৃৎশিল্প। শান্তিনিকেতনের চামড়ার কাজ, বাটিক, কাঁথা, ডোকরা শিল্প ইত্যাদি শুধু বীরভূম নয়, সারা বাংলার গর্ব।

উৎসবপ্রিয়তায় বীরভূমের জুড়ি মেলা ভার। দুর্গাপূজা, কালীপূজা, সরস্বতী পূজা যেমন জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়, তেমনই পৌষমেলা, বসন্তোৎসব, বাউলমেলা, সাঁওতাল উৎসব—সবই সমান গুরুত্ব পায়। এখানে ধর্মীয় ও লোকউৎসব মিলেমিশে এক অনন্য সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

শিক্ষা ও আধুনিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বীরভূম ক্রমশ এগিয়ে চলেছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, যোগাযোগব্যবস্থা—সবক্ষেত্রেই উন্নয়ন ঘটছে। নতুন রাস্তা, পর্যটন পরিকাঠামো, শিল্পোন্নয়ন এই জেলাকে আধুনিকতার পথে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। তবে এই আধুনিকতার মাঝেও বীরভূম তার শিকড় হারায়নি; সে এখনও তার মাটি, মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

আমার কাছে বীরভূম মানে শুধু একটি প্রশাসনিক জেলা নয়; এটি আমার আবেগ, আমার গর্ব, আমার সংস্কৃতির পরিচয়। শীতের সকালে কুয়াশা ঢাকা মাঠ, দুপুরের রোদে লালমাটির পথ, বিকেলের খোয়াই, সন্ধ্যার বাউলগান, রাতের তারাপীঠ—এসব মিলিয়েই আমার বীরভূম।

এই জেলার প্রতিটি কণায় ইতিহাস আছে, প্রতিটি বাতাসে গান আছে, প্রতিটি পথে গল্প আছে। বীরভূম এমন এক জেলা যেখানে কবি জন্ম নেন, সাধক ধ্যান করেন, শিল্পী রং খুঁজে পান, আর সাধারণ মানুষও জীবনকে উৎসব করে বাঁচেন।

তাই আমি গর্ব করে বলি—

আমার জেলা বীরভূম শুধু আমার ঠিকানা নয়, এটি আমার আত্মপরিচয়ের অংশ। এই মাটির লাল ধুলো, এই মানুষের হাসি, এই সংস্কৃতির আলো আমাকে বারবার মনে করিয়ে দেয়— আমি এমন এক জেলার সন্তান, যে জেলা বাংলার হৃদয়কে স্পন্দিত করে।

বীরভূম আমার গর্ব।
বীরভূম আমার ভালোবাসা।
বীরভূম আমার শিকড়।

আমার জেলা বীরভূম—বাংলার সংস্কৃতির প্রাণভূমি, লালমাটির চিরন্তন গান।


কেতাব-ই’র মুদ্রিত বই,ই-বই এবং ব্লগজিন বিভাগের লেখালিখির নিয়মিত খোঁজখবর পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন


এই ব্লগজিনে প্রকাশিত সমস্ত লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব।

লেখক

সৌম্য পালের  জন্ম দুর্গাপুরে। বর্তমানে বীরভূমের বাসিন্দা। ফার্মেসিতে স্নাতক। শখ বই পড়া, গল্প লেখা।

অন্যান্য লেখা